এবার ‘দাদাগিরি’ মঞ্চ মাতালেন নোবেল

এবার ‘দাদাগিরি’ মঞ্চ মাতালেন নোবেল

গত বছর জি বাংলার সংগীতবিষয়ক জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’য় অংশ নেন বাংলাদেশের মাইনুল আহসান নোবেল। চূড়ান্ত বিজয়ী না হতে পারলেও সাড়া জাগিয়েছিলেন তরুণ এই সংগীতশিল্পী। ‘সারেগামাপা’ মঞ্চে তিনি বারবার আলোচনায় এসেছিলেন। আজ রোববার তাঁকে দেখা গেল জি বাংলার আরেক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দাদাগিরি’তে।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী। আজ রাতে জি বাংলায় ‘দাদাগিরি’র এই পর্ব প্রচারিত হয়। নোবেলের এই পর্বে অংশ নেন ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক সদস্য বীরেন্দর শেবাগ, হরভজন সিং, ভিভিএস লক্ষ্মণ, মোহাম্মদ কাইফ, জহির খান এবং বর্তমান সদস্য রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁদের নানা পর্বের খেলা এবং কথোপকথনের ফাঁকে গান শুনিয়েছেন নোবেল। মোট তিনটি হিন্দি গান গাইতে হয়েছে তাঁকে। এ ছাড়া এই অনুষ্ঠানে গান করেছেন উষা উত্থুপ ও দালের মেহেদি।

সম্প্রতি এ অনুষ্ঠানের রেকর্ডিং এবং স্টেজ শোতে অংশ নিতে ভারতে যান নোবেল। সেখানে তিনি ত্রিপুরাসহ বেশ কিছু অঞ্চলে গান করেছেন। আরও কয়েকটি স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ার জন্য নোবেল এখনো কলকাতায়। তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা। অনেক দিন পর আমার চেনা প্ল্যাটফর্ম জি বাংলার একটা অনুষ্ঠানে অংশ নিলাম। ভালো লেগেছে।

গোপালগঞ্জের ছেলে মাঈনুল আহসান নোবেল শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। লেখাপড়া করেছেন বাংলাদেশ ও ভারতে। মাথায় গানের পোকা ঢোকে কলকাতায়। মাত্র ৬০০ টাকায় পুরোনো সিগনেচার ব্যান্ডের গিটার কিনে তা দিয়েই শুরু করেন সংগীতচর্চা। কলকাতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ করে ২০১৪ সালে ঢাকায় ফেরেন নোবেল। এভাবে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা করতে করতে নোবেলের সঙ্গে গানের প্রেম পোক্ত হয়ে যায়। ‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ভারতের কলকাতা আর বাংলাদেশে ব্যাপক পরিচিতি পান নোবেল। সেখানে তিনি প্রিন্স মাহমুদের লেখা ও সুর করা পাঁচটি গান গেয়েছেন। প্রতিযোগিতার শুরুর দিকে ‘বাবা’র মতো জনপ্রিয় গানের কারণেই দ্রুত পরিচিতি পান নোবেল। এরপর প্রিন্স মাহমুদের কথা সুরে ‘মা’ গানটি তাঁকে আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে আসে। এরপর তিনি ‘এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়’ এবং ‘হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা’ গানগুলো গেয়েছেন।