মেহেরপুরে ইভটিজিং রোধে নারীবাদী সংগঠনগুলোর ভুমিকা কি !

55মুহম্মদ মহসীন,মেহেরপুরঃ
মেহেরপুরে সামাজিক সমস্যা ইভটিজিং রোধে সমাজ বিজ্ঞানী, অপরাধ বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী, সংবাদকর্মী ও নারীবাদী সংগঠনগুলো এগিয়ে আসতে পারছে কি ? এছাড়া আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বা কতটুকু ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে কাজ করছে। মেহেরপুরের স্কুল কলেজের সড়কগুলোতে ইদানিং স্কুল কলেজ শুরু ও ছুটি হওয়ার সময় চিহ্নিত কিছু যুবক কয়েকটি স্থানে নিয়মিত অযাচিত কিছু কাজ করে থাকে যেগুলো অবশ্যই ইভটিজিং। সেটা কখন কোথায় তা প্রশাসন নজরদারী করলেই বেরিয়ে আসবে। ইভটিজিং একটি অনাকাংখিত সামাজিক ব্যাধী। সাধারনতঃ উঠতি কিশোর ও যুবকরা এই ধরনের অপরাধ করে থাকে। কোন বক্তব্য বা মন্তব্য দিয়ে কোন নারীকে উত্যক্ত করায় হচ্ছে ইভটিজিং। সামাজিক বিজ্ঞানীরা ইভটিজিং যেকারনে হয় এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এই পত্রিকাটিকে বলেছেন এক. নৈতিক শিক্ষার অভাব দুই. পারিবারিক শৃংখলার অভাব তিন. মুল্যবোধের অবক্ষয় চার. আকাশ সংস্কৃতির কুপ্রভাব পাঁচ. নারীর মর্যাদা ক্রম অবনমন ছয়. বিজ্ঞাপন চিত্রে নারীকে যৌন আবেদনময়ী হিসাবে উপস্থাপন আট. সাংষ্কৃতিগত পরিবর্তন নয়. জেনারেশন গ্যাপ ইত্যাদি। অপরাধ বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে মনে করেন মানব আচরনের একটি বিকৃতি দিক এ অর্থে যে ইভটিজিং এর নামে নারী স্বত্বাকে অপমান করা হয়। কখনো এই অপমানের কারনে নারীর ভিতরের সৃজনশীলতা বিনষ্ট হয়। এছাড়াও এটি নারীর স্বাধীনতা অত্বিত্বের জন্য হুমকিস্বরুপ। অনেক সময় নারী ইভটিজিং জনিত বৈকাল্যের শিকার হয় যেকারনে আত্মহত্যা সহ নানা অনাকাংখিত ঘটনা সমাজে ঘটে থাকে। সুতরাং স্থানীয়ভাবে ইভটিজিংরোধে ঝিমিয়ে পড়া কর্মসুচীগুলোকে আবারো সক্রিয় করতে হবে। অন্যদিকে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ জোরদার করতে হবে। এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইভটিজিং নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। নইলে নারী শিক্ষা পিছিয়ে পড়বে, নারীর অধিকার রক্ষায় আন্দোলন একেবারেই স্থিমিত হয়ে পড়বে, নারীদের সামাজিক নেতৃত্বের কাঠামো পিছিয়ে পড়বে, সম অধিকার শ্লোগানটি শুধুমাত্র শ্লোগান হিসাবেই থাকবে। (চলবে)